ঢাকা আজকের তারিখঃ | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৫ বছরের মেগা কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গে কর্পোরেট চুক্তি করল তুর্কি এয়ারলাইন্স চাকরিনির্ভরতা থেকে উদ্যোক্তা: আত্মকর্মসংস্থানে আনসারের 'সঞ্জীবন' প্রকল্প একটি মহল দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে : মির্জা ফখরুল বিদ্যুতের দাম বাড়ালো সরকার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রক্তপাত বন্ধ করাই আমাদের মূল লক্ষ্য : সিইসি এবার ড. ইউনূসের শাসনামলের সব ঘটনার তদন্ত চেয়ে রিট ভারতগামী ফ্লাইটে একের পর এক বোমা হামলার হুমকি ট্রাম্প-শি বৈঠকে তাইওয়ান ইস্যু নিয়ে উদ্বেগ পুলিশকে যেন কেউ দেশ ও জনগণের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে না পারে বিটিডব্লিউএ অ্যাওয়ার্ড ২০২৫: সেরা ট্রাভেল কন্টেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে সম্মানিত হলেন সালাহউদ্দিন সুমন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বৈঠক জলবায়ু ও শান্তির লক্ষ্যে ঢাকায় বৈশ্বিক নেতৃত্বের ঐক্য-রয়্যাল কনক্লেভ ২০২৬ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রোসাটম মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ মেধাভিত্তিক মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী বগুড়ার বাগবাড়ীতে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী ফের ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ল উত্তর কোরিয়া, বাড়ছে উত্তেজনা বন্ধ হয়ে গেল দেশের একমাত্র ডিএপি সার কারখানা কেন অভিনয় ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া? জনগণকে ‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রাম বন্দর সচল রাখতে হার্ডলাইনে সরকার

  • প্রকাশের সময় : Feb 9, 2026 ইং
চট্টগ্রাম বন্দর সচল রাখতে হার্ডলাইনে সরকার ছবির ক্যাপশন:
1768459961horizontal2.png
আসন্ন রমজানে ১৮ কোটি মানুষকে জিম্মি করতেই চট্টগ্রাম বন্দরে ধর্মঘট চলছে বলে মনে করেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন। তিনি জানিয়েছেন, বন্দর সচল রাখতে হার্ডলাইনে রয়েছে সরকার।রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাখাওয়াত হোসেন এসব কথা বলেন। তিনি জানান, যারা বাধা দেবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে সরকার।নৌপরিবহন উপদেষ্টা বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরকে জিম্মি রাখার চেষ্টা করছে কিছু লোক। কিন্তু চট্টগ্রাম বন্দর সচল রাখতে হার্ডলাইনে আছে সরকার। কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যারাই বাধা দেবে, তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) চার দফা দাবিতে চট্টগ্রাম বন্দরে ধর্মঘট শুরু হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের ডাকা এ ধর্মঘটের কর্মসূচির কারণে বন্দরের জেটি ও বহির্নোঙরে কার্যক্রম প্রায় বন্ধ হয়ে পড়েছে।এনসিটি পরিচালনার ভার ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ৩১ জানুয়ারি থেকে কর্মবিরতির ডাক দেয় বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল। পরে তারা বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের ব্যানারে আন্দোলন চালিয়ে যান। গত মঙ্গলবার থেকে সংগ্রাম পরিষদ লাগাতার কর্মবিরতি শুরু করেন।এম সাখাওয়াত হোসেন মনে করেন, রমজান উপলক্ষে ১৮ কোটি মানুষকে জিম্মি করতেই এই ধর্মঘট। তিনি বলেন, আন্দোলনকারীরা যেসব দাবিদাওয়া করছে তা মানার মতো না। কিন্তু রমজানকে সামনে রেখে যেকোনো মূল্যে চট্টগ্রাম বন্দর সচল রাখা হবে।আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেছেন, প্রশাসন আন্দোলন দমাতে ভিন্ন পথ অবলম্বন করছে। বন্দর ও আশেপাশের এলাকায় বিপুল পরিমাণ পুলিশ, সেনাবাহিনীর সদস্য মোতয়েন রয়েছে। সংগ্রাম পরিষদের দুজনকে তুলে নেওয়া হয়েছে বলে তাদের অভিযোগ।

নিউজটি আপডেট করেছেন : নয়াদিন ডেস্ক

কমেন্ট বক্স