ঢাকা আজকের তারিখঃ | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বগুড়ার বাগবাড়ীতে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী ফের ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ল উত্তর কোরিয়া, বাড়ছে উত্তেজনা বন্ধ হয়ে গেল দেশের একমাত্র ডিএপি সার কারখানা কেন অভিনয় ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া? জনগণকে ‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিনর গ্রুপ প্রধানের সাক্ষাৎ ইরান আলোচনায় ফিরে না এলেও কিছু যায় আসে না : ট্রাম্প এমন সশস্ত্র বাহিনী চাই, যাদের বহিঃশক্তি সমীহ করবে: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চিঠি কেন পেয়েছিলেন পূর্ণিমা হাম পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ করছে সরকার : স্বাস্থ্য সচিব ইরানের সঙ্গে ‘১০ দফা’ চুক্তির খবরকে ভুয়া বলে উড়িয়ে দিলেন ট্রাম্প যুদ্ধবিরতিতে জিতেছে ইরান, বড় সাফল্য বলছে যুক্তরাষ্ট্র বগুড়ায় উপনির্বাচন ও শেরপুরে নির্বাচন উপলক্ষে আনসার-ভিডিপির সর্বাত্মক প্রস্তুতি আদালতের উদ্দেশে ডিবি কার্যালয় থেকে শিরীন শারমিনকে নেওয়া হয়েছে ৭০-এর দশকেও বিশ্ব দেখেছিল তেল সংকট, এবার কী অপেক্ষা করছে? নতুন সরকারের প্রথম একনেকে অনুমোদন পেল ৬ প্রকল্প স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে, জানালেন প্রতিমন্ত্রী ট্রাম্পের অহংকার মাটিতে মিশিয়ে দিচ্ছে ইরান যে কোনো সময় মার্কিন দূতাবাসে হামলা, সতর্কতা জারি যুদ্ধ বন্ধে চীন ও পাকিস্তানের ৫ দফা

মানুষ ভুল স্বীকারের ক্ষেত্রে সততা এবং আন্তরিকতা দেখতে চায়

  • প্রকাশের সময় : Feb 3, 2026 ইং
মানুষ ভুল স্বীকারের ক্ষেত্রে সততা এবং আন্তরিকতা দেখতে চায় ছবির ক্যাপশন: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম
1768459961horizontal2.png

সংবাদমাধ্যমগুলোর ভুল স্বীকারের ক্ষেত্রে মানুষ সততা এবং আন্তরিকতা দেখতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তার ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ কথা বলেন।

স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, এএফপিতে কাজ করার সময় সাংবাদিকতা সম্পর্কে প্রথম যে শিক্ষাগুলো আমি পেয়েছিলাম তার একটি হলো- ভুল করলে তা নিঃসংকোচে স্বীকার করতে হবে। একটি ভুল অথবা মিথ্যা ঢাকতে অজুহাত দেওয়ার বা জটিল ব্যাখ্যা দাঁড় করানোর কোনো প্রয়োজন নেই। শুধু স্পষ্টভাবে ভুল স্বীকার করুন। মানুষ বোঝে- ভুল হতেই পারে। কেবল মানুষ ভুল স্বীকারের ক্ষেত্রে সততা এবং আন্তরিকতাটা দেখতে চায়।

তিনি আরও লেখেন, বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমগুলোতে সেই আন্তরিকতা কয়েক দশক ধরেই অনুপস্থিত।

তিনি বলেন, যখন কোনো ভুল বা মিথ্যাচার ধরিয়ে দেওয়া হয় তখন স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া হয় তা উপেক্ষা করা। কেউ কোনো ভুলের পরিপ্রেক্ষিতে জবাব দাবি করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সম্পাদক অজুহাত দেখান বা বিভ্রান্তিকর ভাষা ব্যবহার করে তার ভুলকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করেন। এরপরও যদি ভুল সংশোধনের জন্য তাদের ওপর চাপ বাড়ে, নীরবে ওই প্রতিবেদনটিই মুছে ফেলা হয়। এক্ষেত্রে পাঠকদেরকে তারা এটাও অবহিত করেন না যে, ভুলের কারণেই তারা প্রতিবেদনটি সরিয়ে ফেলেছেন।


নিউজটি আপডেট করেছেন : নিউজ ডেস্ক:

কমেন্ট বক্স