ঢাকা আজকের তারিখঃ | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৫ বছরের মেগা কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গে কর্পোরেট চুক্তি করল তুর্কি এয়ারলাইন্স চাকরিনির্ভরতা থেকে উদ্যোক্তা: আত্মকর্মসংস্থানে আনসারের 'সঞ্জীবন' প্রকল্প একটি মহল দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে : মির্জা ফখরুল বিদ্যুতের দাম বাড়ালো সরকার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রক্তপাত বন্ধ করাই আমাদের মূল লক্ষ্য : সিইসি এবার ড. ইউনূসের শাসনামলের সব ঘটনার তদন্ত চেয়ে রিট ভারতগামী ফ্লাইটে একের পর এক বোমা হামলার হুমকি ট্রাম্প-শি বৈঠকে তাইওয়ান ইস্যু নিয়ে উদ্বেগ পুলিশকে যেন কেউ দেশ ও জনগণের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে না পারে বিটিডব্লিউএ অ্যাওয়ার্ড ২০২৫: সেরা ট্রাভেল কন্টেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে সম্মানিত হলেন সালাহউদ্দিন সুমন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বৈঠক জলবায়ু ও শান্তির লক্ষ্যে ঢাকায় বৈশ্বিক নেতৃত্বের ঐক্য-রয়্যাল কনক্লেভ ২০২৬ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রোসাটম মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ মেধাভিত্তিক মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী বগুড়ার বাগবাড়ীতে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী ফের ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ল উত্তর কোরিয়া, বাড়ছে উত্তেজনা বন্ধ হয়ে গেল দেশের একমাত্র ডিএপি সার কারখানা কেন অভিনয় ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া? জনগণকে ‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

বাজারে ক্রেতাস্বল্পতা, তবু দাম চড়া মুরগি-সবজির

  • প্রকাশের সময় : Jun 6, 2026 ইং
বাজারে ক্রেতাস্বল্পতা, তবু দাম চড়া মুরগি-সবজির ছবির ক্যাপশন: বাজারে ক্রেতাস্বল্পতা, তবু দাম চড়া মুরগি-সবজির
1768459961horizontal2.png

বাজারে ক্রেতাস্বল্পতা, তবু দাম চড়া মুরগি-সবজির

বাজার পরিস্থিতি
13Shares
facebook sharing button
messenger sharing button
whatsapp sharing button
twitter sharing button
linkedin sharing button
copy sharing button
print sharing button
বাজারে ক্রেতাস্বল্পতা, তবু দাম চড়া মুরগি-সবজির

কোরবানির ঈদের ছুটি শেষ হলেও বাজারে এখনো ক্রেতা বাড়েনি। গতকাল সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও রাজধানীর বাজারগুলোতে ক্রেতাদের উপস্থিতি কম দেখা গেছে। তার ওপর ছিল বৃষ্টির বাগড়া। বেচাকেনা চলেছে ঢিমেতালে। তারপরও বাজারে বেড়েছে মুরগির দাম। অন্যদিকে সবজির বাজার আগের মতোই চড়া রয়েছে।

গতকাল শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মাছ, মাংস ও ডিমের দোকানগুলো এখনো পুরোপুরি চালু হয়নি। মুরগির দোকানগুলো খোলা থাকলেও ক্রেতার অপেক্ষায় অলস সময় পার করছেন বিক্রেতারা। একই চিত্র ডিমের দোকানগুলোতেও। বাজারে যারা আসছেন তাদের বেশিরভাগই এখন ভিড় করছেন সবজির বাজারে।

গতকাল রাজধানীর শনির আখড়া বাজারের সবজি কিনতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী মো. লিয়াকত আলীর সঙ্গে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। তিনি বলছিলেন, ‘বাসায় এখনো গরুর মাংস রান্না হচ্ছে। তাই আপতত মাছ-মাংস তেমন একটা কেনা হচ্ছে না। সবজি, কাঁচামরিচ, ধনেপাতা, টমেটো, শসা—এগুলো কিনতে এলাম। কিন্তু দাম তো অনেক চড়া। বেগুন, করলা, পটোল, ঝিঙাসহ বেশিরভাগ সবজির দামই কেজিপ্রতি ৮০ টাকার আশপাশে। এর মধ্যে টমেটো, কাঁচামরিচ, গাজর, শসা, শিমের দাম অত্যধিক। বাধ্য হয়ে কম করে কিনছি।’

এ বাজারের সবজি বিক্রেতা মো. আবু ইসমাইল কালবেলাকে বলেন, ঈদের পর সবজির আড়তগুলোতে সব পাইকার এখনো তাদের ব্যবসা পুরোপুরি চালু করেনি। এতে সবজির সরবরাহ কিছুটা কম এখন। তার ওপর বৃষ্টি শুরু হয়েছে। তাই দাম একটু চড়া আছে। অদিনের হওয়ায় শিম, বাঁধাকপি, ফুলকপিসহ কয়েক পদের সবজির দাম বেশি। তবে সরবরাহ বাড়লে মৌসুমি সবজিগুলোর দাম কিছুটা কমে আসবে।

এদিকে মুরগির খুচরা বিক্রেতা মো. উজ্জ্বল জানান, কোরবানির ঈদের অনেকটা সময় ধরে মাছ-মাংসের চাহিদা কম থাকে। কারণ সবার ঘরে এ সময়ে কমবেশি গরুর মাংস থাকে। তিনি বলেন, ‘তারপরও ব্রয়লার ও সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে। তবে, তা স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অনেক কম। দিনভর বসেই থাকতে হয় ক্রেতার অপেক্ষায়।’

ক্রেতা কম হলেও ব্রয়লার মুরগির দাম হঠাৎ কেজিপ্রতি ২০ টাকা বেড়ে গেছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা। তারা জানান, ঈদের বাজারে ব্রয়লারের কেজি ১৫০ টাকা পর্যন্ত নেমে যাওয়ার পর এখন তা আবার বেড়ে ১৭০ টাকা হয়েছে। দোকানভেদে কোথাও কোথাও সোনালি মুরগির দামও বেড়েছে। এ মুরগি এখন প্রতি কেজি ৩৪০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মালিবাগ বাজারের মুরগি বিক্রেতা মো. ফারুক হোসেন বলেন, কোরবানির ঈদের সময় মুরগির চাহিদা সবসময়ই কম থাকে। এ জন্য দামও পড়ে যায়। এ সময় মুরগি সরবরাহও কমে আসে। এখনো পাইকারিতে সরবরাহ কম। তাই কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। তবে, সোনালি ও লেয়ার মুরগির দাম অপরিবর্তিত আছে।

এ বাজারের ডিম ব্যবসায়ী মো. তানভীর ইসলাম বলেন, ঈদের পর এখনো ঢিলেঢালা ব্যবসা যাচ্ছ। ক্রেতা কম। দামও অপরিবর্তিত আছে। ফার্মের বাদামি ডিমের ডজন (১২ পিস) আকার ভেদে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা এবং সাদা ডিম ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সবজি বাজারগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমানে প্রতি কেজি করলা, বেগুন, কাঁকরোল, ঢ্যাঁড়স, পটোল, ঝিঙা, কচুরলতি, শসা বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকার আশপাশে। এর মধ্যে বেগুনের দাম প্রকারভেদে কোথাও কোথাও ৭০ টাকাতেও মিলছে। ধুন্দল ও চিচিঙ্গার কেজি ৭০ টাকা। অন্যদিকে বরবটি, কচুরমুখী, দেশি শসা ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। বাজারে এখনো শিম পাওয়া যাচ্ছে, যার কেজি পড়ছে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা। বাঁধাকপির পিস ৬০ টাকা। টমেটোর কেজি শতকের ওপর বিক্রি হচ্ছে। লাউয়ের পিস ৮০ টাকা, চাল কুমড়া ৬০ টাকা। আর কাঁচা মরিচের কেজি ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা। কাঁচা কলা প্রতি হালি ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সবজির বাজার চড়া হলেও আলু-পেঁয়াজের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৪৫ টাকা এবং আলু ২৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের দর আগের মতোই রয়েছে বলে জানান শনির আখড়া বাজারের মাছ বিক্রেতা মো. নিয়াজ উদ্দিন। তিনি বলেন, ঈদের পর এখনো সব মাছের দোকান চালু হয়নি। মাছ বিক্রেতাদের অনেকে এখনো গ্রামে রয়েছেন। বেচাবিক্রিও তুলনামূলক কম। চিংড়ির চাহিদা এখনো আছে। কেজি ৭০০ থেকে ৮০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া পাঙ্গাশ প্রতি কেজি আকারভেদে ১৮০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তেলাপিয়ার কেজি ২২০ টাকা। অন্যান্য মাছের দামও অপরিবর্তিত আছে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : নিউজ ডেস্ক:

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ